ধর্ম
বেদের শিক্ষা কি বহু-ঈশ্বরবাদ (Polytheism), অদ্বয়বাদ (Monism), হেনোথিজম (Henotheism) নাকি একেশ্বরবাদ (Monotheism) এই নিয়ে পণ্ডিত মহলে দীর্ঘদিনের বিতর্ক রয়েছে। এই বিতর্কে প্রবেশের আগে শব্দগুলোর প্রকৃত অর্থ বুঝে নেওয়া প্রয়োজন:
বহু-ঈশ্বরবাদ (Polytheism): এই মহাবিশ্ব পরিচালনায় একাধিক স্বতন্ত্র সম-সত্ত্বা বা সম-ঈশ্বর রয়েছে।
কৃষ্ণ যজুর্বেদীয় কঠোপনিষৎ- ২/২/১২ মন্ত্র অনুযায়ী ঈশ্বর একজন, তথাপি তিনি বহু রুপ ধারন করেছেন।(“একো বশী সর্বভূতান্তরাত্মা একং রূপং বহুধা যঃ করোতি।-একক বশকর্তা, সর্ব জীবের অন্তরাত্মা,সেই পরমেশ্বর এক তথাপি তিনি বহু রূপ ধারণ করেছেন।”)
কঠোপনিষদের মন্ত্রের মতোই অথর্ববেদ সংহিতা ৯/৪/৯,শুক্ল যজুর্বেদ
ব্রহ্মা যখন জীবকুল সৃষ্টি করেন তখন মৃত্যু বলে কিছু ছিল না। এর ফলে কেবল জন্মই হতে থাকে এবং কারো মৃত্যু না হওয়ায় পৃথিবী ভরে যায় জীবে। এত ভার বইতে গিয়ে পৃথিবীর অবস্থা সঙ্গিন হয়ে পড়ে। তা দেখে ব্রহ্মা চিন্তান্বিত হন
- মহারাজ শান্তুনু গঙ্গাদেবীকে বিবাহ করিবেন বলিয়া মনস্থির করিলেন। যেহেতু গঙ্গা দেবী দেবকুল এবং শান্তুনু মানবকুল, তাই তাহারা উভয়েই সংকটে পড়িলেন যে, এই বিবাহের বৈধতা থাকিবে কি না!
- যেহেতু ব্রহ্মা সকল কুলের সৃষ্টিকারী, তাই তাহারা উভয়ে ব্রহ্মার শরনাপন্ন হইলেন এবং স্ময়ং
শঙ্করের বেদান্ত দর্শন
আদি শংকরাচার্য উপনিষদ-গীতা-ব্রহ্মসূত্রের ওপর ভিত্তি করে অদ্বৈত বেদান্ত প্রতিষ্ঠা করেন। এর মূল কথা—
১। ব্রহ্ম সর্বস্ব
- এই সৃষ্টিতে একমাত্র সত্য নির্গুণ, নিরাকার, চৈতন্যময় ব্রহ্ম।
- উপনিষদের বাক্য— “ব্রহ্ম সত্যং জগৎ মিথ্যা, জীবো ব্রহ্মैব নাপরঃ
জীবন একই জায়গায় আটকে আছে???গীতার প্রতিটি অধ্যায় একেকটি শক্তিশালী জীবনপাঠ।। ছোট করে কিন্তু হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ভাষায় সারমর্ম নিচে দেওয়া হলো।
১.অর্জুন বিষাদ যোগ — সমস্যাই শক্তির শুরু: জীবনের সংকট আমাদের ভিতরের শক্তিকে জাগায়।। ভেঙে পড়া নয়,









