শঙ্করের বেদান্ত দর্শন
আদি শংকরাচার্য উপনিষদ-গীতা-ব্রহ্মসূত্রের ওপর ভিত্তি করে অদ্বৈত বেদান্ত প্রতিষ্ঠা করেন। এর মূল কথা—
১। ব্রহ্ম সর্বস্ব
- এই সৃষ্টিতে একমাত্র সত্য নির্গুণ, নিরাকার, চৈতন্যময় ব্রহ্ম।
- উপনিষদের বাক্য— “ব্রহ্ম সত্যং জগৎ মিথ্যা, জীবো ব্রহ্মैব নাপরঃ
জীবন একই জায়গায় আটকে আছে???গীতার প্রতিটি অধ্যায় একেকটি শক্তিশালী জীবনপাঠ।। ছোট করে কিন্তু হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ভাষায় সারমর্ম নিচে দেওয়া হলো।
১.অর্জুন বিষাদ যোগ — সমস্যাই শক্তির শুরু: জীবনের সংকট আমাদের ভিতরের শক্তিকে জাগায়।। ভেঙে পড়া নয়,
ঠান্ডা পড়ে গিয়েছে। কমছে তাপমাত্রা। বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণও কমছে। এই সময়ে অনেকেরই শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেয়। শ্বাসকষ্টের মূল কারণ শ্বাসনালির সংকোচন ও অ্যালার্জেনের কারণে ইরিটেশন। এ কারণে ফুসফুসে প্রয়োজনীয় বাতাস ঢুকতে বাধা পায়। রোগীকে ঘন ঘন নিঃশ্বাস নিতে হয়। ফুসফুসের
বেদ এবং গীতার দু-তিনটি তথ্যসূত্র দিয়ে অনেকে প্রচার করছে সনাতন ধর্মে মূর্তিপূজা নাই। এই তথ্যের সত্যতা দেখা যাক।
এটি ঠিক যে, বেদে মূর্তি/প্রতিমা পূজা নাই। যজুর্বেদে স্পষ্টই বলা হয়েছে, ঈশ্বর নিরাকার এবং তাঁর প্রতিমা হয় না (৩২/৩)। যেহেতু গীতা সেই
অনেকে রাতে ঘুমাতে পারেন না। রাতের বেশিরভাগ সময় এপাশ ওপাশ করেই কাটিয়ে দেন। আর এই কারণেই তাঁদের শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। শক্তির ঘাটতি দেখা দেয়। কোনো কাজেও মন বসে না। যারা প্রতিনিয়ত অনিদ্রার সমস্যায় ভোগেন তাঁরা ঘুমানোর আগে কলা খেতে









